ZianurQA

The main purpose of this website is to Q & A based on the Qur'an and Sunnah.

Search This Blog

Read in your own language

Tuesday, December 23, 2025

জিয়ানুর রহমান সম্পর্কে

 👤 ব্যক্তিগত ও পেশাগত পরিচিতি

নাম: জিয়ানুর রহমান

🎓 পেশা

ইংরেজি প্রভাষক (Lecturer in English)

লেখক, ডিবেটার ও শিক্ষাভিত্তিক কনটেন্ট ক্রিয়েটর

🎥 ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও কনটেন্ট

▶️ YouTube চ্যানেলসমূহ

1. Zianur Sir

শিক্ষা, মতামত ও সামাজিক বিশ্লেষণ

শিক্ষকসুলভ উপস্থাপনায় বাস্তবধর্মী আলোচনা

2. Zianur Rahman QA

প্রশ্ন–উত্তরভিত্তিক কনটেন্ট

শিক্ষা, জীবনবোধ, সমাজ ও সমসাময়িক বিষয়

3. Department of English

ইংরেজি সাহিত্য ও ভাষাবিজ্ঞান

Honours ও Masters শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ ব্যাখ্যা

500–1000 শব্দের স্ট্রাকচার্ড একাডেমিক ভিডিও

4. Job Dreamers

সরকারি চাকরি সংক্রান্ত তথ্য

ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও মোটিভেশনাল কনটেন্ট

📘 ফেসবুক পেজ

Zianur Sir

শিক্ষামূলক লেখা

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বাস্তব সমস্যা

মতামত ও সচেতনতামূলক পোস্ট

✍️ লেখার ও বলার বৈশিষ্ট্য

সহজ কিন্তু গভীর ভাষা

শিক্ষকসুলভ, যুক্তিনির্ভর ও প্রশ্নমুখী

গ্রাম–শহর, মাদ্রাসা–কলেজ—সব স্তরের শিক্ষা বাস্তবতা তুলে ধরা

 Zianur Rahman is a Student and Writer who tries to solve various problems of people's daily lQuran specially from The Holy Quran and Hadith.

Manhaz: Ahle Sunnat Oyal Jamat

Education & Qualifications:

Zianur Rahman. (English Lecturer, 18th NTRCA) 

Former Teacher Dawyatul Quran and Hafeziya Kawmia Madrasah in Jhenaidah. 

Former Associate Literary Affairs Editor. Satkhira Zila Kollan Somiti Islamic University, Kushtia. 

Debater of Islamic University, at Saddam Hossen Hall.

Zianur Rahman who studied in the Hifaz department for two years, studying up to class three in primary school. Then Alim Completed from a Madrasah. After that 

1) Studied Department of Arabic Language and Literature for 1 year at Islamic University, Kushtia. 

2) Studied B.A. (Honours) & M.A. Department of English at Islamic University, Kushtia.


Tuesday, December 24, 2024

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নাস্তিকের কান্ড।

 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি পাশাপাশি আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের চেয়ারম্যান স্যারকে।


সাইফুল্লাহ আল হাদি, আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ১৬-১৭ সেশনের ছাত্র তবে এখন ১৭-১৮ সেশনে আছে।(ক্যাজুয়াল)


আমার বন্ধু ১৬-১৭ সেশনে আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে এক সাথে পড়েছিলাম।


তার সাথে আমার পারসোনালি ডিবেট ও কথাবার্তা হয়।


সে একজন নাস্তিক এটি অবশ্য আরবি বিভাগের ১৬-১৭ এবং ১৭-১৮ সেশনের আমাদের বন্ধু মহলে আমরা সবাই জানি।

তবে সাধারণ মানুষ তাকে দেখলে কেও বুঝতে পারবেনা যে সে আসলে নাস্তিক। খুব চালাক প্রকৃতির বিপদ বুঝে নিজেক আস্তিক বলে প্রচার করে। কখনো বা বলে আমি তাওবা করে ফিরে আসছি। এটি সে তখনি বলে থাকে বিপদ দেখলে বা ক্ষতির আভাস পেলে। আমরা তাকে অনেক সুযোগ দিয়েছি, ভালো হওয়ার জন্য।


আমরা প্রায় তাকে বলতাম তুই নাস্তিক হ তাতে আপত্তি নেই তবে তুই যে গালাগাল দিস ইসলাম কে নিয়ে আল্লাহ কে নিয়ে রাসুল কে নিয়ে এটি বাদ দে।


সে সরাসরি মুখমুখি,ইনবক্সে, কমেন্টে, পোস্টের মাধ্যেম ইসলাম, সৃষ্টিকর্তাকে নিয়ে,রাসুলুল্লাহ সাঃ কে নিয়ে কটুক্ত করত। আমি প্রশ্নের জবাব দিতাম আর বার বার বলতাম তুই নাস্তিক তাতে আপত্তি নেই তবে ইসলামকে নিয়ে কটুক্তি করা বাদ দে প্রশ্ন থাকলে করতে পারিস কিন্তু গালি কেন?

তবুও সে ইসলাম,আল্লাহ কে নিয়ে এমন সব কথা বলত যে গুলি কেও কল্পনা করতে ও পারবেনা।


তাকে আমি প্রায় সতর্ক করতাম এ গুলি করিস না। তবুও সে করেই যায়। তার করা কমেন্ট,ইনবক্সের এসএমএস ডিলিট করে দিতাম। ভাবতাম সে ঠিক হয়ে যাবে।

তার আইডি আমি ব্লক করেছিলাম সে আমার পোস্টে এসে ইসলাম নিয়ে কটুক্তি করে কমেন্ট করত।


তার পাঞ্জাবি, টুপি, পাগড়ি দেখে সবাই অবাক হবে আসলে এ নাস্তিক নয় বা সম্ভব না। তবে সে মাসুদের(নাস্তিক মাসুদ যে দেখতে আলেমদের মতো ছিল তার) ফটোকপি।


সে সাধারণ ছেলেদের কে বিভিন্ন প্রশ্ন করে বিভ্রান্তিতে ফেলত এবং নাস্তিকতার দিকে ডাকত।


 হাদি পর্ণগ্রাফিতে আসক্ত ছিল সে এটাকে জীবন ও সৃষ্টিকর্তা(এখানে অবশ্য সে আমরা যে নামে ডাকে সেই নাম ব্যবহার করেছিল) বলত এ ঘটনা ঘটেছিল বঙ্গবন্ধু হলে খাওয়া শেষ করে। তবুও ধৈর্য ধরেছিলাম কিন্তু আজ দেখলাম হাদির একটা ইসলাম বিদ্বেষী পোস্ট জমজমের পানি ও মক্কা নিয়ে কটুক্তি করা পোস্ট বিভিন্ন গ্রুপে, বন্ধুদের টাইমলাইনে ঘুরছে তাই আজ এ লেখাটি লেখলাম। তাকে বুঝাইতাম দেখে তুই  ইসলামকে কিছুই করতে পারবিনা মাঝ পথে তোর ব্যাপারে কথা বললে তোর ছাত্রত্ব চলে যাবে। 


তার পোশাকের কারন টি একটু পরিষ্কার করি, হাদির বাড়ি বরিশালে, বাবা একজন হুজুর। হাদি মাদ্রাসার ছাত্র।

হাদি তার বাবার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার জন্য মাঝে মাঝে পোশাক ব্যবহার করে তবে সাধারণত মানুষকে ধোকা দেওয়া প্রধান উদ্দেশ্য। 


হাদির কাজ হলো মেয়ে নিয়ে পড়ে থাকা ও কিভাবে পরিচিত হওয়া যায়। হ্যাঁ, আজ বোধহয় সে কিছুটা সফল। হাদি আমাদের ইংরেজি বিভাগের এক মেয়েকে ডিস্টার্ব করত, আমার সেই বান্ধবী আমাকে জানায় যে এই হাদি নামে ছেলেটা তোর ফ্রেন্ড লিস্টে আছে চিনিস তাকে?


আমি বললাম হ্যাঁ। আমি কারণ বুঝতে পেরেছিলাম।

তবুও আমার বান্ধবীকে প্রশ্ন করলাম কেন?


সে উত্তর দিল, 

ছেলেটা খুব জালায় তাকে।


এ বিষয়ে আমি হাদিকে বুঝালাম এটা কেন করিস।


যাহোক, মাঝে মধ্যে ভাবতাম হাদিকে নিয়ে পোস্ট করবো আবার ভাবতাম প্রমাণ ছাড়া, তাছাড়া তার সমার্থক ও আছে।


তার সাথে বিভিন্ন বিষয় কথা হতো তার উদ্দেশ্য ছিল আসিফের(ইসলাম বিদ্বেষী আসিফ) মত বিদেশে যাওয়া, ফেমাস হওয়া এ বিষয় সু স্পষ্ট। এ কথা গুলি আমার কাছে সে বলেছিল। কারণ আমরা যথেষ্ট ফ্রী ছিলাম।


আমাদের বন্ধু মহলে আমরা সবাই জানি বিশ্বাস না হয় ১৬-১৭/১৭-১৮ আরবি বিভাগের ছেলেদের কাছে শুনবেন। এটি খুবই স্পষ্ট।


তার প্রকাশ্যে ও গোপনে ইসলামেকে নিয়ে কটুক্তি, আল্লাহকে নিয়ে কটুক্তি, রাসুলুল্লাহ সাঃ নিয়ে কটুক্তি প্রচার বন্ধ করতে হবে।


প্রশাসনের কাছে আবেদন তাকে তার কর্মের যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করুন।

তার ইসলাম বিদ্বেষী এ  ব্যাপারে প্রমাণ নিতে চাইলে আরবি বিভাগের ছাত্রদের কাছ থেকে নিতে পারেন।


পরিশেষে বলতে চাই কোন মুসলিমকে কাফের কিংবা নাস্তিক বলা যাবেনা যতক্ষণ না সু স্পষ্ট প্রমান থাকে কেননা কাওকে কাফের বললে সে যদি কাফের না হয় তাহলে দোষারোপ তার নিজের দিকে আসে।

৩০/১০/২০২০







লেখক: জিয়ানুর রহমান

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়ার বর্তমানে দ্বীনের অবস্থা।

 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গ্রুপে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম, রাত ১১ টার পরে হল বন্ধের পক্ষে সেখানে দুইটা কারণ দেখিয়েছিলাম। কমেন্টে ভালো- মন্দ কমেন্ট আছে তবে নেগেটিভ কমেন্ট বেশি। নেগেটিভ কমেন্টকারীদের প্রোফাইলে যাওয়ার পরে যে গুলো দেখলাম নিম্নরূপ।

১) কারো প্রোফাইল লক করা।

২) অনেকে ছাত্রলীগের সাথে জড়িত বা লীগের সাথে আছে।

৩) অনেকের প্রোফাইলে বান্ধবীর বা মা-বোনদের সাথে ছবি।

৪) কিছু আছেন জেনারেল পাবলিক তবে ধর্ম তাদের কাছে শুধু আল্লাহকে বিশ্বাস করা আর কিছু নয়।

৫) পরিচিত কিছু নাস্তিক আছে।

৬) সেকুলার বিশ্বাসী কিছু মুরতাদ আছে।

৭) বিধর্মীরা আছেন।

৮) বাম ধারার লোক আছেন।

৯) অনেকে ধর্মকে শুধু শুক্রবারের নামাজের মধ্যে আবাধ্য এমন লোক আছেন।

১০) নারীবাদী আছে।

১১) ইংরেজি সাহিত্যে পড়া মানে লুচ্চামি করতেই হবে, মুসলিম হওয়া যাবেনা এমন লোক আছে।

১২) কিছু আছে বস্তি থেকে উঠে আসা মুখের ভাষায় সেটা প্রকাশ পেলো।

১৩) ধূমপায়ী, গাঁজা, মদখোর আছে।

১৪) কুশীল আছে।

১৫) চরিত্রহীন এবং লুচ্চাও আছে। 


উপরিক্তর বিষয় গুলোর প্রমাণ স্কিন শর্ট আমার কাছে তবে প্রাইভেসি নষ্ট করতে চাইনা।

একবার চিন্তা করুন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ইসলাম শিখানো,  প্রচারের উদ্দেশ্যে কিন্তু সেখানে এখন জেনারেল বিভাগ বেশি হওয়ায় ইসলাম বিদ্বেষ ও চর্চা করা হয়। এর স্বপক্ষে আমার কাছে ভালো প্রমাণ আছে, পেশ করবো ইংশা আল্লাহ।

যাহোক, বর্তমানে কাফেররা, মুসলিমদের মধ্যে এই বিশ্বাস ভালো ভাবেই ঢুকাতে পেরেছে যে ইসলামকে সব জায়গায় নিয়ে আসা ঠিক না কিংবা আনা অপরাধ। 

অথচ ইসলাম শিখায় এবং মুসলিমরা এটা বিশ্বাস করে যে, ইসলাম প্রতিটি মুহূর্তের জন্য, এবং এটাকে সব জায়গায় নিয়ে যাওয়া যাবেনা বলা কুফরি। 

ইসলাম সব জায়গার জন্য।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী রীতি মেনে চালানোর এখনই উপযুক্ত সময়, বিশ্ব দরবারে দেখানোর জন্য ইসলামকে অবমাননা করে র্যাংকিং নিয়ে লাভ নেয়।

মধ্য প্রাচ্যের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারে কাছেও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় নেয়, অথচ এরা মনে করে লাইব্রেরি না, বরং সারাদিন টেনে বেড়াবো, পাশে মেয়ে নিয়ে সেটাই র্যাংকিং। আবার ইবির লাইব্রেরিতেও পড়তে যেয়ে আকাম করে সেগুলোর ভিডিয়োও পাবলিশ হয়েছিল।

ইবির ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা এখনি সময়, কেননা এর পরে আবার সেকুলারদের দৌরাত্ম্য বাড়ানোর চেষ্টা হবে।


#ZianurRahman0

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে মুসলিম স্টুডেন্টদের চিন্তা ভাবনা

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে মুসলিম  স্টুডেন্টদের চিন্তা ভাবনা: ১


বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স-মাস্টার্স পড়ে এই কথা বলার সাহস কীভাবে হয় যে "ছেলে-মেয়ে অবাধ চলাফেরা করা যাবেনা" সেটা আবার ইংরেজি বিভাগের স্টুডেন্ট হয়ে?

আপনি যদি ক্যাম্পাসে ছেলে-মেয়ে অবাধ চলাফেরার বিরোধিতা করেন তাহলে আপনাকে শুনতে হবে খ্যাত, মূর্খ কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসল?🤭 বিশ্ববিদ্যালয় মানে বুঝতে হবে, এখানে হাজারো চিন্তা থাকবে, কালচার থাকবে, মত থাকবে তবে ধর্ম থাকবেনা এগুলো বলার পাশাপাশি গালাগালি। 

গালাগালি দিলে তার যোগ্যতার অভাব নেয় কিন্তু ধর্মের কথা বললেই যোগ্যতার অভাব। 

এ জন্য নাস্তিকরা নিজেদের বেশি জ্ঞানী মনে করে। অথচ পৃথিবীতে জ্ঞানের শুরু ধর্ম থেকে, বিশ্ব বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর উদ্দেশ্য ছিল ধর্মকেন্দ্রিক।

আর এখন তাদের সুযোগ দিলে বলে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ে ধর্মের কথা বললে হবে?🤭


বিশ্ববিদ্যালয়ের অবাধ চলাফেরা থাকবে, মাদকের অঢেল থাকবে, যা ইচ্ছে তাই করতে না দিলে স্বাধীনতা হরণ।

অথচ পাশের টেবিলে কেও পড়াশুনা করলে মোবাইলে আস্তে কথা বলতে হয় এটা নৈতিক দায়িত্ব। এখানে মোবাইলে জোরে গান/মিউজিক/সঙ্গীত শোনা যায় না যদিও স্বাধীনতায় বাঁধা পড়ে। 

#ZianurRahman

#ZianurRahman

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে মুসলিম  স্টুডেন্টদের চিন্তা ভাবনা: ২


আপনি যদি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রুপে লিখেন যে ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হোক কিংবা কনসার্ট বন্ধ করা হোক।


তখন দেখবেন আপনি বড়ো বড়ো সেকুলার পেয়ে যাবেন তারা দাবি করবে তারা মুসলিম আর বলবে এটা বিশ্ববিদ্যালয়, এটা মাদ্রাসা নয়, এটা কওমী মাদ্রাসা নয় কিংবা কিন্ডারগার্টেন স্কুল না।


এটা বিশ্ববিদ্যালয়, এখানে সবার স্বাধীনতা থাকবে যার যেটা পছন্দ সে অনুযায়ী চলবে।


এই সমস্ত স্টুডেন্ট দাবী করে যে, তারা মুসলিম তবে তারা ইসলাম যেটা সমাজের জন্য নিষিদ্ধ করেছে সেটা সমাজে নিষিদ্ধ হোক কিংবা কার্যকর হোক সেটা হতে দিবেনা বরং বিপরীত হতে হবে এবং বলবে আমরা সাচ্চা মুসলমান। 


#ZianurRahman


বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে মুসলিম  স্টুডেন্টদের চিন্তা ভাবনা: ৩


ক. আরে বান্ধবী মুখ খুলে রাখা জায়েজ আছে আমি শুনেছি এবং কুরআনের অমুক আয়াতে আছে। তবে এরা আবার ঐ আয়াত পড়তে পারেনা। যাহোক, এদের ফতোয়া মুখ খোলা রেখে পর্দা করা যায় কোনো সমস্যা নেয়।

অর্থাৎ মুখ সৌন্দর্যের মধ্যে পড়েনা এদের ফতোয়া অনুযায়ী।


খ. বন্ধুদের গায়ে স্পর্শ না লাগলে সমস্যা নেয়, দূরত্ব বজায় রেখে চলা যায় এটাতে সমস্যা নেয়। আরে বন্ধু না! কত বিপদে কাজে লাগবে তার ঠিক আছে একটু চলাফেরা করাতে সমস্যা নেয়।


গ. বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে এমন আধটু একটু না চললে হয়? তোর মাদ্রাসায় পড়া উচিত ছিল। আরে চিল ব্যাটা, এখনি তো সময়। আর সবখানে ধর্ম আনবিনা।


ঘ. সবাই মিলে ইফতারের আয়োজন করা যায় তাহলে বন্ধুত্বের সম্পর্ক ভালো হবে। আর ইফতার করা তো ইবাদত। তারপর এক সাথে সেলফি, দেন আপলোড ফেসবুকে।


মাশা আল্লাহ, আজ ইফতার করলাম।


#ZianurRahman

Wednesday, November 27, 2024

উগ্র হিন্দু এবং লীগ যখন আলেমদেরকে ধর্ম শেখাতো এবং জন সাধারণদেরকে শিবির ট্যাগ দিতো।

 আমার অভিজ্ঞতা: কিছু উগ্র হিন্দু এবং লীগ যখন আলেমদেরকে ধর্ম শেখাতো এবং জন সাধারণদেরকে শিবির ট্যাগ দিতো।


ঝিনাইদহ কয়েকজন হিন্দু ব্যাক্তির সাথে পরিচয় হয় এর মধ্যে ভালো-মন্দ মিশে আছে তবে আজ এক হিন্দুর সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার বর্ণনা করছি।


ঘটনা:১- ২০২১ সাল।

ঝিনাইদহ ইম্পেরিয়াল কোচিং-এর শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে কোচিং-এ যাই। সেখানে যেয়ে জানতে পারলাম, আগে ফর্ম কিনে ফিলআপ করতে হবে, তারপর বাকি কথা। কোন কোন ক্লাস নিতে হবে, বেতন কতো, ডিউটি টাইম কিছুই জানাবে না। এদের নিয়ম অনুযায়ী ৫০ টাকার ফর্ম ফিল আপ করতে হবে তারপর কথা হবে। স্বাভাবিক ভাবে প্রশ্ন জাগে টাকা দিয়ে ফর্ম কিনবো অথচ কত টাকা বেতন দিবে সেটা জানতে পারবো না! ফর্ম বিক্রি করা ছিল তাদের ব্যবসা।  অফিস সহায়ককে ভদ্রভাবে কিছু প্রশ্ন করলাম তার মধ্যে ছিল বেতন কত? কোন ক্লাসের ক্লাস নিতে হয়?


অফিস সহায়ক জানালেন, এ ব্যাপার কোনো কিছু বলা যাবেনা, একটু পরে পরিচালক আসবেন তারপর উনার সাথে কথা বলবেন। অপেক্ষায় রইলাম পরিচালক অমিয় মজুমদার অপু আসলেন আমাকে ডেকে সামনের চেয়ারে বসালেন তারপর জানতে চায়লেন কী কী জানতে চাই।

আমি নম্ভ্রভাবে কিছু বিষয় জানতে চাইলাম।

উনি আমার মুখে দাঁড়ি দেখলেন তারপর ঘাড় কাত করে পায়ের প্যান্ট ভাজ করা দেখলেন।

এবার শুরু হয়ে গেলো তার মাস্তানি, আমাকে বলল: তুমি শিবির করো, তুমিতো শিবির।

আমি বললাম, আমি যদি শিবির করতাম তাহলে তো এখানে আসতাম না, কেননা শিবিরের লোকদের তারা যেখান সেখানে পাঠায় না। আর আপনি আমার দাঁড়ি এবং প্যান্ট ভাজ করা দেখে শিবির বলেলন!


তারপর তার বক্তব্য শুরু হলো হুমকির সাথে। যে  বক্তব্য গুলো নিম্নরুপ ছিল:


সে ইবির ছাত্র ছিল, সে ছাত্র অবস্থায় ছাত্রলীগের রাজনৈতির সাথে জড়িত ছিল, সে জানে ভালো ভাবে যে কারা শিবির করে। উদাহরণ টেনে বললেন, তার প্রতিষ্ঠানে এর আগে শিবিরের ছেলেরা ছিল তারা নামাজের সময় হলে ক্লাস বাদ দিয়ে নামাজের জন্য স্টুডেন্টদের  ডাকত, তাদের কথা বার্তা ভালো ছিল না, তাদের কথা ছিল প্রতিবাদী। আর তোমার কথা বার্তা ও তেমন। 

আমি: বলার চেষ্টা করলাম এ গুলো প্রত্যেক মুসলিম করে এ গুলো শুধু শিবির করেনা। আমার কথা থামিয়ে দিয়ে আবারো তার হুমকিমূলক উপদেশ বানি শোনাতে শুরু করল। 

পাশে থাকা তার কর্মচারীরা নিশ্চুপ, এর মধ্যে কেও একটু ভুল করেছে তখনি তার  সাথে এমন উগ্রবাদী আচারণ করল কল্পনার বাহিরে, পরে জানতে পারলাম সে তার স্টুডেন্ট ব্যাতিত সবার সাথে উগ্র আচারণ করে থাকেন। 

সেদিন আমি কোনোভাবে চলে আসলাম তবে মনে রেখে দিলাম ঘটনাটি।


ঘটনা:-২ (২০২৩ সাল)


ওদের প্রতিষ্ঠানে দুই দিন পর পর ইংরেজি শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে পোস্ট দেয় ঝিনাইদহর বিভিন্ন গ্রুপে, তার প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক না থাকার একটি কারণ হলো তার আচারণের কারণে। আমি তাদের একটা পোস্টে কমেন্ট করেছিলাম এই কোচিং-এর পরিচালকের ব্যবহার খুবই খারাপ। 


ব্যাস আবার শুরু হয়ে গেলো আমাকে খোঁজ করা। আমার প্রোফাইল উন্মুক্ত থাকায় তারা সহজে আমার নাম্বার সংগ্রহ করে ফেলে আমার প্রোফাইলে থাকা বিভিন্ন কোচিং সেন্টার থেকে। যেমন: আমি ওরাকলে (সানগুইন) ক্লাস নিতাম (এটির প্রধানও হিন্দু ছিল [ঝিনাইদহ শাখার]।  তারপর ইউনিকে ক্লাস নিয়েছিলাম কয়েকদিন। 

যাহোক তারা আমার নাম্বার কালেক্ট করে, তারপর তারা তাদের পরিচয় গোপন করে কল দেয়, আমাকে তাদের ট্যাপে ফেলায়, আমি অনুমান করতে পেরেছিলাম, যাহোক প্রয়োজনের তাগিদে তাদের ট্যাপে পড়তে বাধ্য হই। কৌশল ছিলো আমাকে টিউশনি দিবে এবং সেজন্য আমার সাথে সরাসরি কথা বলতে চায়। আমি গেলাম মুজিব চত্বরে সেখানে একটা চায়ের দোকানে বসে আছি, তারপর  অমিয় মজুমদারের আগমন, আমার বাকিটা বুঝতে বাকি ছিলনা। ব্যাস আবারো শুরু হয়ে গেলো হুমকি।

যেমন: তুমি না আসতে চায়লেও আমি আমার লোক দিয়ে তোমাকে উঠিয়ে নিয়ে আসতাম। 

আমি শুনে যাচ্ছি আর প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছি, সে আমার সাথে নোংরা রাজনৈতি শুরু করে দিলো পাশে অন্য লোকজন নিয়ে। আমার নামে বিভিন্ন মিথ্যা বলা শুরু করল পাশে ছিল তারই লোক। এক পর্যায়ে আমাকে বলল, আমি চাইলে, তুমি ঝিনাইদহর কোথাও ক্লাস নিতে পারবা না।

আমি বললাম, আলহামদুলিল্লাহ। 

বেচারা এবার আরো আগুন। 

সে এখন আমাকে ধর্ম শেখাতে শুরু করল, কোথায় আলহামদুলিল্লাহ বলতে হয়। সাথে পাশে থাকা মুসলমানদের সমর্থন নেওয়ার সে চেষ্টা করলো যে আমি কোথায় আলহামদুলিল্লাহ বলতে হয় সেটা জানিনা। আমিও যা উত্তর দেওয়ার সেটাই দিলাম, রিজিকের মালিক আল্লাহ, আল্লাহ ব্যবস্থা করে দিবেন।  তবে পাশে থাকা মুসলিমরা তার ভয়ে সেদিন আমাকে সাপোর্ট দেয়নি।


তবে এবার আমার উত্তর গুলো ছিল নির্ভয়ের, কেননা এখন আমি মাস্টার্সের ছাত্র তখন ছিলাম থার্ড ইয়ারের এবং ঝিনাইদহতে নতুন। সেক্ষেত্রে ঝিনাইদহতে থেকে একটু অভিজ্ঞতা থেকে পূর্বের মতো অতোটা ইতস্তত বোধ করিনি। যাহোক, এক পর্যায়ে সেদিনকার মতো চলে আসলাম এবং আমাকে সাবধান করে দিলেন কিছু নামধারী মুনাফেক মুসলিমদেরকে নিয়ে।


কিছু বিষয় আমি জানতাম না যে, অমিয় মজুমদার অপু, রাজনৈতিক  ভালো ভাবে জড়িত ছিল। সে স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ছিল এবং খুনের আসামী মিন্টুর লোক ছিল, আর মিন্টু ছিল ঝিনাইদহর ত্রাস।

তবে এ গুলো স্বাভাবিক ঘটনা এর চেয়ে খারাপ ঘটনা আমার বন্ধুর সাথে ঘটেছিল যেটা অন্য একদিন বলবো, ইংশা আল্লাহ। 

তাছাড়া ক্ষমতায় আছে এমন উগ্রবাদী হিন্দুদের হিসেব আলাদা তারা কত কিছুই না করছে। তবে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের উপর তাদের ক্ষমতার অপপ্রয়োগ অনেক কষ্টের।

বি:দ্র: সকল হিন্দুদের এর মধ্যে টানছিনা কেননা অনেক হিন্দু আছেন তাদের ব্যবহার অনেক ভালো। 

✍️

#ZianurRahman

নিচে অমিয় মজুমদার অপুর কিছু ছবি দেওয়া হলো।



Thursday, October 24, 2024

আধুনিক সালাফি/আধুনিক আহলে হাদিস।

 আধুনিক সালাফি/আধুনিক আহলে হাদিস।


অনেক দিন ধরে ভাবছি, 'আধুনিক সালাফি/আহলে হাদিস' এই টার্ম উদ্ভাবন করা যায় কিনা। কেননা বর্তমান সালাফিদের মধ্যে আকিদা, মাসয়ালাগত ব্যাপারে মুসলিমদের আসল সালাফিদের সাথে অধিকাংশ মিল আছে। তবে আধুনিক  সালাফিদের মধ্যে ঝামেলা যেটা সেটা হলো রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে। আসল সালাফরা কখন মুসলিমদের বিরুদ্ধে যেতেন না, বিশেষ করে কাফের/তাগুত এবং মুসলিমদের মধ্যে লড়াই হলে, কিন্তু আধুনিক সালাফিদের মধ্যে থেকে আপনি পাবেন হা*মা*স, তা*লে*বা*ন, ইখ*ওয়া*নিদের বিরুদ্ধে অগ্রসর, কাফেরদের সাথে অগ্রসর। 


কারণ এবং লক্ষণ: 

১) আমেরিকা-সৌদি সম্পর্ক। 

আমেরিকা যেটা বলে সেটাকে একটু হলেও সৌদিকে ভাবতে হয়, আর সৌদি শাসক যেটা বলবে সেটার প্রভাব ঐ দেশের আলেমদের মধ্যে প্রতিফলিত হয়, যেটার ফলাফল তাদের ছাত্রদের মাঝে দেখতে পাই, পরে সেটা ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বে।

২) সৌদি আলেমদের কাছে আমাদের রাজনৈতিক মাঠ সম্পর্কে সচেতনার অভাব যার ফলে সৌদির রাজনৈতিক ভাবধারায় অন্য দেশকে বিবেচনা করতে যায়, যেটা তাদের ছাত্রদের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে প্রচার হয়, ফলে দেখা যায় মুসলিম ভাইদেরকে জালেম শাসক কিংবা কাফেররা মারলেও ফতোয়া মুসলিমদের বিরুদ্ধে যায়। একটা কথা বলে রাখা ভালো সৌদি আলেমদের ইসলামী জ্ঞানের ব্যাপারে সন্দেহ করা মূর্খামি, এখানে রাজনৈতিক জ্ঞান নিয়ে কথা হচ্ছে।

৩) সালাফি নামে নতুন নতুন ফতোয়ার আমদানি যেমন এটা সালাফদের মানহজ নয়, ঐটা সালামদের মানহজ নয় এভাবে বলা, সেক্ষেত্রে কুরআন-হাদিস থেকে দলীল দেয় না । কেমন হলো? কুরআন-হাদিস ছাড়া মানেন না অথচ এ গুলো কী? আবার যাকে তাকে ট্যাগ দেওয়া যে, সে সালাফি নয়, কারণ সে আধুনিক সালাফি আলেমদের সমালোচনা করেছে। আপনি যতই সব কিছুই সালাফদের মতো মানুন না কেনো একটু রাজনৈতিক ব্যাপারে বিপরীতে গেলেন তখন বলবে মানহজ ঠিক নেয়।

৪) সমালোচনা সহ্য করতে না পারা, যদিও এটি অধিকাংশ মানুষের মধ্যে আছে তবে আসল সালাফরা সমালোচনা সহ্য করতেন।

৫) আধুনিক খারেজী বলে নতুন টার্ম তৈরি এবং প্রচার করা। অথচ আমাদের ভাইদের মধ্যে খারেজিদের আকিদা নেয়। যেমন জাকির নায়েককে নিয়ে বলেছিল।

৬) বাংলাদেশেই দেখুন না, তারা মুসলিম ভাইদের বিরুদ্ধে যাওয়া এবং ক্ষতি করা। কীভাবে অবস্থান নিয়েছিল? 

যেমন: হেফাজতে ইসলাম, জামায়াতে ইসলামদের বিরুদ্ধে যেটা তাগুত অনুসারীরা করতে পারিনি যেমন ক্ষতি এরা করেছিল। 

৭) হালকা-পাতলা সুবিধাবাদী। বিপদের ভয়ে দলীল দেওয়ার চেষ্টা করে যে 'বিপদ ডেকে আনা সালাফদের মানহজ নয়' কথা সত্য তবে আসল সালাফরা বিপদের মধ্যেই ছিলেন কিন্তু আধুনিক সালাফরা বিপদের মধ্যে পড়েনই না, আবার বিপদ তাদের পাশেই যায় না।

৮) সৌদি আদলে অন্য দেশের রাজনৈতিক অবস্থার ফতোয়া প্রদান করা।

৯) ছোট খাটো বিষয় নিয়ে মুসলিম ভাইদের সাথে ডিবেট তবে শাসক, কুফরি ঝুলিয়ে দিলে তার সাথে ডিবেট না।

১০) মুনাফেক কিংবা কাফের শাসকের আনুগত্যর নামে আসল সালাফদের থেকে বিচ্যুত হয়েছে আধুনিক সালাফিরা।

১১) মানহাজের তারাই দাবিদার ভাবা, অথচ তাদের কর্মকান্ড আসল সালাফদের মতো না। যেমন: শায়খ আহমাদুল্লাহকে মুনাফেক বলা কারণ তিনি নাকি মানহজ গোপনকারী, প্রফেসর মুখতার আহমেদকে গোল আলু মার্কা মানহজ বলা, আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যার, আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাককেও ছাড় দেননি।

১২) এরা বিদাতিদের এতো পরিমাণ ঘৃণা করে যে তাদের প্রতি সহমর্মিতা দেখানোকেও জায়েজ মনে করেন না, আধুনিক সালাফিরা। এটা কেমন হইল? আরে কাফের রাষ্ট্রে কিংবা তাগুত রাষ্ট্রে এমন ফতোয়া দিলে হয়? এটা খেলাফত থাকলে কিছুটা। 

১৩) জালিমকে নিয়ে নাচানাচি করবে অথচ কোনো সাধারণ মুসলিম ভাইয়ের সামান্য ভুল নিয়ে, তার বিরুদ্ধে কলম আর মুখ এক হয়ে যায়।

১৪) মনে রাখবেন বর্তমানে সব সালাফি আধুনিক সালাফি নয়, আসল সালাফি ও আছে।


দ্রষ্টব্য: উপরিক্ত বিষয় গুলো অন্য দলের মধ্যেও আছে শুধু তারা টার্ম গুলো পরিবর্তন করে যেমন কেও বলে তারাই আহলে হক, হাক্কানি, সঠিক দল ইত্যাদি ইত্যাদি। আজ যেহেতু সালাফিদের নিয়ে লিখলাম সেজন্য অন্যদের টানলাম না।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:

আমি সালাফি আকিদা এবং মাসলাককে বেশি শক্তিশালী মনে করি তবে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আধুনিক সালাফিদের থেকে দূরে থাকি। আধুনিক সালাফিদের রাজনৈতিক অজ্ঞতার কারণে উপরিক্ত কথা গুলো লেখা, বাকি তাদের কাজ গুলো অসাধারণ এবং মুসলিম উম্মাহর জন্য কল্যাণকর। তবে রাজনৈতিক বিষয়ে আরেকটু ভেবে চিন্তে ফতোয়া দেওয়া উচিত।

✍️

#ZianurRahman0

Friday, January 13, 2023

আল্লাহর সিফাত (হাত, পা, চেহারা, ক্রোধ, আকৃতি, আরশে সমুন্নত ইত্যাদি)বিষয় আকিদা।হানাফি vs সালাফি আকিদা

 

আল্লাহর সিফাত (হাত, পা, চেহারা, ক্রোধ, আকৃতি, আরশে সমুন্নত ইত্যাদি) বিষয় আকিদা কী হবে?
আল্লাহ অঙ্গ প্রতঙ্গ থেকে পবিত্র।
হানাফি বনাম আহলে হাদিসদের আকিদা কী? আহলে হাদিসরা কি আল্লাহর দেহবাদীতে বিশ্বাস করে?
এ ব্যাপারে মুজাসসিমা, মুশাব্বিবা, মুতাজিলা, কাদারিয়াদের আকিদা কী?
হানাফিদের কিতাব থেকে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আকিদা।
ইমাম আবু হানিফা, ত্বহাবি, খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রঃ, হেমায়েতুদ্দিন প্রমুখের কিতাব থেকে আলোচনা করা হয়েছে।
১ম অংশ আকিদাতুত তহাবি।
২য় অংশ ইসলামী আকিদা ও ভ্রান্ত মতামত বইয়ের।
৩য় অংশ ইসলামী আকিদা গ্রন্থ থেকে আলোচনা করা হয়েছে।


ভিডিয়ো টি শুধুমাত্র মাদ্রাসার ছাত্র ও হুজুরদের জন্য। যেভাবে তারা কুফরি করছে/কাফের হয়ে যাচ্ছে না-তো?

 

ভিডিয়ো টি শুধুমাত্র মাদ্রাসার ছাত্র ও হুজুরদের জন্য। যেভাবে তারা কুফরি করছে/কাফের হয়ে যাচ্ছে না-তো?