ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গ্রুপে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম, রাত ১১ টার পরে হল বন্ধের পক্ষে সেখানে দুইটা কারণ দেখিয়েছিলাম। কমেন্টে ভালো- মন্দ কমেন্ট আছে তবে নেগেটিভ কমেন্ট বেশি। নেগেটিভ কমেন্টকারীদের প্রোফাইলে যাওয়ার পরে যে গুলো দেখলাম নিম্নরূপ।
১) কারো প্রোফাইল লক করা।
২) অনেকে ছাত্রলীগের সাথে জড়িত বা লীগের সাথে আছে।
৩) অনেকের প্রোফাইলে বান্ধবীর বা মা-বোনদের সাথে ছবি।
৪) কিছু আছেন জেনারেল পাবলিক তবে ধর্ম তাদের কাছে শুধু আল্লাহকে বিশ্বাস করা আর কিছু নয়।
৫) পরিচিত কিছু নাস্তিক আছে।
৬) সেকুলার বিশ্বাসী কিছু মুরতাদ আছে।
৭) বিধর্মীরা আছেন।
৮) বাম ধারার লোক আছেন।
৯) অনেকে ধর্মকে শুধু শুক্রবারের নামাজের মধ্যে আবাধ্য এমন লোক আছেন।
১০) নারীবাদী আছে।
১১) ইংরেজি সাহিত্যে পড়া মানে লুচ্চামি করতেই হবে, মুসলিম হওয়া যাবেনা এমন লোক আছে।
১২) কিছু আছে বস্তি থেকে উঠে আসা মুখের ভাষায় সেটা প্রকাশ পেলো।
১৩) ধূমপায়ী, গাঁজা, মদখোর আছে।
১৪) কুশীল আছে।
১৫) চরিত্রহীন এবং লুচ্চাও আছে।
উপরিক্তর বিষয় গুলোর প্রমাণ স্কিন শর্ট আমার কাছে তবে প্রাইভেসি নষ্ট করতে চাইনা।
একবার চিন্তা করুন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ইসলাম শিখানো, প্রচারের উদ্দেশ্যে কিন্তু সেখানে এখন জেনারেল বিভাগ বেশি হওয়ায় ইসলাম বিদ্বেষ ও চর্চা করা হয়। এর স্বপক্ষে আমার কাছে ভালো প্রমাণ আছে, পেশ করবো ইংশা আল্লাহ।
যাহোক, বর্তমানে কাফেররা, মুসলিমদের মধ্যে এই বিশ্বাস ভালো ভাবেই ঢুকাতে পেরেছে যে ইসলামকে সব জায়গায় নিয়ে আসা ঠিক না কিংবা আনা অপরাধ।
অথচ ইসলাম শিখায় এবং মুসলিমরা এটা বিশ্বাস করে যে, ইসলাম প্রতিটি মুহূর্তের জন্য, এবং এটাকে সব জায়গায় নিয়ে যাওয়া যাবেনা বলা কুফরি।
ইসলাম সব জায়গার জন্য।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী রীতি মেনে চালানোর এখনই উপযুক্ত সময়, বিশ্ব দরবারে দেখানোর জন্য ইসলামকে অবমাননা করে র্যাংকিং নিয়ে লাভ নেয়।
মধ্য প্রাচ্যের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারে কাছেও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় নেয়, অথচ এরা মনে করে লাইব্রেরি না, বরং সারাদিন টেনে বেড়াবো, পাশে মেয়ে নিয়ে সেটাই র্যাংকিং। আবার ইবির লাইব্রেরিতেও পড়তে যেয়ে আকাম করে সেগুলোর ভিডিয়োও পাবলিশ হয়েছিল।
ইবির ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা এখনি সময়, কেননা এর পরে আবার সেকুলারদের দৌরাত্ম্য বাড়ানোর চেষ্টা হবে।
#ZianurRahman0
No comments:
Post a Comment