ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি পাশাপাশি আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের চেয়ারম্যান স্যারকে।
সাইফুল্লাহ আল হাদি, আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ১৬-১৭ সেশনের ছাত্র তবে এখন ১৭-১৮ সেশনে আছে।(ক্যাজুয়াল)
আমার বন্ধু ১৬-১৭ সেশনে আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে এক সাথে পড়েছিলাম।
তার সাথে আমার পারসোনালি ডিবেট ও কথাবার্তা হয়।
সে একজন নাস্তিক এটি অবশ্য আরবি বিভাগের ১৬-১৭ এবং ১৭-১৮ সেশনের আমাদের বন্ধু মহলে আমরা সবাই জানি।
তবে সাধারণ মানুষ তাকে দেখলে কেও বুঝতে পারবেনা যে সে আসলে নাস্তিক। খুব চালাক প্রকৃতির বিপদ বুঝে নিজেক আস্তিক বলে প্রচার করে। কখনো বা বলে আমি তাওবা করে ফিরে আসছি। এটি সে তখনি বলে থাকে বিপদ দেখলে বা ক্ষতির আভাস পেলে। আমরা তাকে অনেক সুযোগ দিয়েছি, ভালো হওয়ার জন্য।
আমরা প্রায় তাকে বলতাম তুই নাস্তিক হ তাতে আপত্তি নেই তবে তুই যে গালাগাল দিস ইসলাম কে নিয়ে আল্লাহ কে নিয়ে রাসুল কে নিয়ে এটি বাদ দে।
সে সরাসরি মুখমুখি,ইনবক্সে, কমেন্টে, পোস্টের মাধ্যেম ইসলাম, সৃষ্টিকর্তাকে নিয়ে,রাসুলুল্লাহ সাঃ কে নিয়ে কটুক্ত করত। আমি প্রশ্নের জবাব দিতাম আর বার বার বলতাম তুই নাস্তিক তাতে আপত্তি নেই তবে ইসলামকে নিয়ে কটুক্তি করা বাদ দে প্রশ্ন থাকলে করতে পারিস কিন্তু গালি কেন?
তবুও সে ইসলাম,আল্লাহ কে নিয়ে এমন সব কথা বলত যে গুলি কেও কল্পনা করতে ও পারবেনা।
তাকে আমি প্রায় সতর্ক করতাম এ গুলি করিস না। তবুও সে করেই যায়। তার করা কমেন্ট,ইনবক্সের এসএমএস ডিলিট করে দিতাম। ভাবতাম সে ঠিক হয়ে যাবে।
তার আইডি আমি ব্লক করেছিলাম সে আমার পোস্টে এসে ইসলাম নিয়ে কটুক্তি করে কমেন্ট করত।
তার পাঞ্জাবি, টুপি, পাগড়ি দেখে সবাই অবাক হবে আসলে এ নাস্তিক নয় বা সম্ভব না। তবে সে মাসুদের(নাস্তিক মাসুদ যে দেখতে আলেমদের মতো ছিল তার) ফটোকপি।
সে সাধারণ ছেলেদের কে বিভিন্ন প্রশ্ন করে বিভ্রান্তিতে ফেলত এবং নাস্তিকতার দিকে ডাকত।
হাদি পর্ণগ্রাফিতে আসক্ত ছিল সে এটাকে জীবন ও সৃষ্টিকর্তা(এখানে অবশ্য সে আমরা যে নামে ডাকে সেই নাম ব্যবহার করেছিল) বলত এ ঘটনা ঘটেছিল বঙ্গবন্ধু হলে খাওয়া শেষ করে। তবুও ধৈর্য ধরেছিলাম কিন্তু আজ দেখলাম হাদির একটা ইসলাম বিদ্বেষী পোস্ট জমজমের পানি ও মক্কা নিয়ে কটুক্তি করা পোস্ট বিভিন্ন গ্রুপে, বন্ধুদের টাইমলাইনে ঘুরছে তাই আজ এ লেখাটি লেখলাম। তাকে বুঝাইতাম দেখে তুই ইসলামকে কিছুই করতে পারবিনা মাঝ পথে তোর ব্যাপারে কথা বললে তোর ছাত্রত্ব চলে যাবে।
তার পোশাকের কারন টি একটু পরিষ্কার করি, হাদির বাড়ি বরিশালে, বাবা একজন হুজুর। হাদি মাদ্রাসার ছাত্র।
হাদি তার বাবার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার জন্য মাঝে মাঝে পোশাক ব্যবহার করে তবে সাধারণত মানুষকে ধোকা দেওয়া প্রধান উদ্দেশ্য।
হাদির কাজ হলো মেয়ে নিয়ে পড়ে থাকা ও কিভাবে পরিচিত হওয়া যায়। হ্যাঁ, আজ বোধহয় সে কিছুটা সফল। হাদি আমাদের ইংরেজি বিভাগের এক মেয়েকে ডিস্টার্ব করত, আমার সেই বান্ধবী আমাকে জানায় যে এই হাদি নামে ছেলেটা তোর ফ্রেন্ড লিস্টে আছে চিনিস তাকে?
আমি বললাম হ্যাঁ। আমি কারণ বুঝতে পেরেছিলাম।
তবুও আমার বান্ধবীকে প্রশ্ন করলাম কেন?
সে উত্তর দিল,
ছেলেটা খুব জালায় তাকে।
এ বিষয়ে আমি হাদিকে বুঝালাম এটা কেন করিস।
যাহোক, মাঝে মধ্যে ভাবতাম হাদিকে নিয়ে পোস্ট করবো আবার ভাবতাম প্রমাণ ছাড়া, তাছাড়া তার সমার্থক ও আছে।
তার সাথে বিভিন্ন বিষয় কথা হতো তার উদ্দেশ্য ছিল আসিফের(ইসলাম বিদ্বেষী আসিফ) মত বিদেশে যাওয়া, ফেমাস হওয়া এ বিষয় সু স্পষ্ট। এ কথা গুলি আমার কাছে সে বলেছিল। কারণ আমরা যথেষ্ট ফ্রী ছিলাম।
আমাদের বন্ধু মহলে আমরা সবাই জানি বিশ্বাস না হয় ১৬-১৭/১৭-১৮ আরবি বিভাগের ছেলেদের কাছে শুনবেন। এটি খুবই স্পষ্ট।
তার প্রকাশ্যে ও গোপনে ইসলামেকে নিয়ে কটুক্তি, আল্লাহকে নিয়ে কটুক্তি, রাসুলুল্লাহ সাঃ নিয়ে কটুক্তি প্রচার বন্ধ করতে হবে।
প্রশাসনের কাছে আবেদন তাকে তার কর্মের যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করুন।
তার ইসলাম বিদ্বেষী এ ব্যাপারে প্রমাণ নিতে চাইলে আরবি বিভাগের ছাত্রদের কাছ থেকে নিতে পারেন।
পরিশেষে বলতে চাই কোন মুসলিমকে কাফের কিংবা নাস্তিক বলা যাবেনা যতক্ষণ না সু স্পষ্ট প্রমান থাকে কেননা কাওকে কাফের বললে সে যদি কাফের না হয় তাহলে দোষারোপ তার নিজের দিকে আসে।
৩০/১০/২০২০
![]() |
![]() |
লেখক: জিয়ানুর রহমান




No comments:
Post a Comment